তিন বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়লে আল্লাহর আরশে আপনার জন্য যা শুরু হয়ে যাবে

রায় সাব্যস্ত হওয়ার পর উক্ত কাফের বাদশাহকে ডেগের মধ্যে রেখে মুখ ঝালাই করে বন্ধ করে দিল এবং নিচে আগুন জ্বালিয়ে ছিল। যখন ডেগটি উত্তপ্ত হয়ে ওই কাফেরকে দুঃসহ কষ্ট দিতে লাগল। তখন সে তার যাবতীয় দেবতাগণকে এ ভীষণ বিপদ থেকে রক্ষার জন্য ডাকতে লাগল, হে আমার প্রভু! আমি তোমাদের জন্যই শ’ শ’ মুসলমানের প্রাণ বিনাশ করেছি। আজ তোমরা আমার এ বিপদকালে সাহায্য কর। এ রূপে অশ্রু বিসর্জন করে বার বার বলতে লাগল। কিন্তু মাটি পাথরের দেবতা কোনোই উপকার করতে পারলো না। অবশেষে কাফের বাদশাহ দেবতাদের হতে বিমুখ হয়ে, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে আত্মসমর্পন করে আপন মুখ উর্ধ্বে তুলে বলতে লাগল ‘লাইলাহা ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদুর রাসুলুল্ল্যাহ।’ এ পবিত্র কালেমা বলার সঙ্গে সঙ্গেই আল্লাহ পাক তার ইসলাম কবুল করলেন। মহান আল্লাহ কোরানুল করীমের এরশাদ করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কে আছেন, যিনি দুঃখে কষ্টে জর্জরিত হয়ে আহাজারী করতে থাকে, তার বিপদের সময় তাকে সাহায্য করতে পারে। আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ নেই যিনি বিপদের সময় সাহায্য করতে পারে।

হযরত ইউসুফ (আঃ) অন্ধকার কূপে নিমজ্জিত হয়ে আল্লাহকে ডেকে কাছে পেয়েছেন। হযরত ইউনুস (আঃ) সমুদ্রের নিচে মাছের পেটের মধ্যে থেকে আল্লাহকে স্মরণ করে নিকটে পেয়েছিলেন। হযরত আইউব (আঃ) বহুদিন অসহ্য রোগে ভুগেও আল্লাহকে কাছে পেয়েছেন। অর্থাৎ সেখানে যে বিপদে আল্লাহকে ডেকেছেন, সে সেখানেও তাঁকে পেয়েছেন।

সুতরাং ওই কাফের বাদশাহ ও কালেমা শরীফ পাঠ করে ডাকার সাথে সাথে পাহাড়ের দিক হতে প্রবলবেগে ঝড় ঝঞ্ছা আসতে লাগলো। বৃষ্টির পানিতে অগনিে নিভে গেল। আর বাতাসে ডেগটিকে শূন্যে তুলে এক কাফেরের দেশে নিয়ে গেল। সে দেশে একটি লোকও আল্লাহ বলার ছিল না। যখন ডেগটি আকাশ হতে নিচে পড়তে লাগল, তখন লোকেরা দেখে আশ্চান্বিত হয়ে গেল। ব্যাপার কি? অবশেষে পতিত ডেগটি খুলে দেখতে পেল, এক ব্যক্তি একেবারেই নিরাপত্তাবস্থায় ডেগের মধ্যে বসে কালেমা তাই য়্যেবা পাঠে মগ্ন রয়েছে। তখন উপস্থিত লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করলো, আপনি কে, কিভাবে এ ডেগের মধ্যে আবদ্ধ হয়েছেন এবং কিভাবে এখন এসেছেন। বাদশাহ বলল, আমি একজন কাফের বাদশাহ ছিলাম। মুসলমানকে হত্যা করা বড়ই পুণ্যের কাজ মনে করে বহু মুসলমানকে হত্যা করেছি। ঘটনাক্রমে মুসলমানরা আমাকে ধৃত করে মারার উদ্দেশ্যে ডেগের মধ্যে রেখে মুখ ঝালিয়ে প্রজ্বলিত অগ্নিমধ্যে ফেলে দেয়। এ সময় আমি আমার উপাস্য দেব-দেবীর নিকট সাহায্য চাই। কিন্তু তারা কোনো উপকার করেনি বিধায় বিশ্ব স্রষ্টা ত্রাণকর্তা পালনকর্তা ও মুক্তিদাতার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করলাম। তিনিই আমাকে এ অবস্থায় এখানে পৌঁছে দিয়েছেন। উপস্থিত লোকজন ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিতে লাগল। অল্প দিনের মধ্যেই দেশের সমস্ত লোক মুসলমান হয়ে গেল।

Fair Use Disclaimer:
=================
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for “fair use” for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

“Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for -fair use- for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.”

Leave a Comment