হজরত আইয়ুব নবীর স্রেষ্ঠ দোয়া ও ফেরেশতার আগমন। আজকেই শিখুন। ধৈর্য ও জীবন পাল্টে দেওয়া ঘটনা!

তাঁর গলিত দেহে সর্বদা পোকা কিলবিল করতো।
এবং দেহের গলিত রক্ত মাংস আহার করতো। এক্তিন তাঁর দেহের ঘা হতে হঠাৎ দুটি পোকা মাটিতে এসে পড়লো। এটি দেখে
হযরত আয়ুব আঃ এর মনে দোয়া জাগ্রত হল। অসংখ পোকা আল্লাহর ইচ্চায় তাঁর দেহের গোস্ত আহার করছে, কিন্তু এই পোকা দুটির বদ নসিব বলেই হয়তো
দেহ হতে মাটিতে পড়ে গেছে। অতঃপর তিনি দোয়া দেখিয়ে মাটি থেকে পোকা দুটি তুল্লেন এবং নিজের দেহের যে স্থানে ছিল সেথায় রেখে দিলেন ।
কিন্তু পোকা দুটিকে এই ভাবে দেহে বসিয়ে দেওয়ার পর, পোকা দুটি হযরত আয়ুব আঃ এর শরীরে এমন মারাত্মক ভাবে দংসন করতে শুরু করলো,
তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর এই রোগে যে কষ্ট পেয়েছেন এর থেকে বেশি কষ্ট আর কখনো ভোগ করেন নি। সেই পকার দংসন যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে
তিনি সেদিনি আল্লাহর কাছে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, হা আল্লাহ্‌! তুমি সরবা পেক্ষা বড় দয়ালু। আমি আর এই ক্লেশ সহ্য করতে পারছি না তুমি তোমার ও তুলনিয় দয়ায়
আমাকে এই কষ্ট দায়ক রোগ থেকে মুক্ত করে দাও। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগ্রত হতে পারে যে, হযরত আয়ুব আঃ ঐ পোকাদুটির উপর মায়া দেখিয়ে
তাদের নিজের শরীরে আবার স্থান দিলো, অথচ তারা এর বদলে তাঁকে কষ্ট দেওয়ার কারন কি? এই প্রশ্নের উত্তর হল, আল্লাহর ইচ্ছাতেই পোকা দুটি শরীর থেকে
মাটিতে পতিত হয়ে ছিল, কিন্তু হযরত আয়ুব আঃ আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি লক্ষ্য না রেখে বিপরিত কাজ করেছিলেন।
এতে মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা নাখস হবার ফলে, এহেন ক্লেশ ভোগ করতে হয়েছিলো। তবে জাই হক, হযরত আয়ুব আঃ এর সেদিন কার কান্নায় এবং রোগ মুক্তির প্রার্থনায়
দয়ার আঁধার মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার দয়া ও করুনার রাসি তাঁর জন্য জেগে উঠলো। হযরত আইয়ুব আলাইহি সালামের ঈমান যাচাই এবং তার মাধ্যমে ইবলিসের মিথ্যে দাবির অসারতা ও এতদিন
পুরোপুরি প্রমাণিত হয়েছিল । ফলে হযরত আয়ুব আঃ এর রোগ মুক্তি ও অন্যান্য বিপদ আপদ মোচনের সময় হয়ে গেল। অতঃপর একদিন নিত্যকার
অভ্যাস মোতাবেক বিবি রহিমার স্বামীর জন্য খাদ্যের তালাশে লোকালয়ে গমন করলেন। এই দিকে রুগ্ন আয়ুব আলাইহি সালাম মহাপ্রভু
মহান আল্লাহতালার দরবারে কাঁদতে কাঁদতে অশ্রুধারায় জমিন ভিযাচ্ছিলেন। এমন সময় হযরত জিব্রাইল আলাই
সালাম এসে বললেন, আল্লাহর নবী ! আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করেছেন। আপনি এখন উঠে বসুন। হযরত আয়ুব আঃ বললেন,
অহে ভাই জিবরাঈল, আমি কেমন করে উঠে বসবো বলুন। রহিমার সাহায্য ছাড়া আমিতো পাস পর্যন্ত পরিবর্তন করতে পারিনা। আর আপনি কিনা
আমাকে উঠে বসতে বলছেন। জিবরাঈল আলাইহিস সালাম বললেন, আপনি সাহস করে দাঁড়ান এবং জমিনের
উপর সজোরে দুই পায়ে দুটো আঘাত করুন। হযরত আইয়ুব আলাইহি সাল্লাম অনেক কষ্টে জিবরাঈল আঃ এর কথা মত উঠে দাঁড়ালেন
এবং জমিনের উপর দুটি লাথি মারলেন। সঙ্গে সঙ্গে পাশাপাশি দুটি ঝর্ণার সৃষ্টি হয়, একটি হতে গরম পানি এবং অপরটি হতে শীতল পানি
বের হতে লাগলো। তখন জিবরাঈল আঃ তাকে বললেন আপনি গরম পানিতে আপনার সমগ্র দেহ উত্তম রূপে ধুয়ে ফেলুন এবং শীতল পানি পান করুন গরম
পানি পেট ভরে পান করুন। জিবরাঈল আঃ এর কথা মতো, উক্ত গরম পানি দ্বারা হযরত আয়ুব আঃ সর্বাঙ্গ উত্তমরুপে ধৌত করলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তার রোগ সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়ে গেল। তার
শরীরে রোগের কোনো চিহ্নমাত্র রইল না। অতঃপর তিনি শীতল পানি তৃপ্তি সহকারে পেট ভরে পান করলেন। ফলে
তার ক্ষুধা-তৃষ্ণা একেবারেই দূর হয়ে গেল। এবার তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। শরীরে যথেষ্ট শক্তি অনুভব
করতে লাগলেন। তার দেহে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য ফিরে এলো। এই সময় হযরত জিব্রাইল আলাই সালাম বেহেস্ত থেকে একখানা মনোরম এক খানা চাদর নিয়ে এলেন,
এবং তার হাতে অর্পণ করলেন। হযরত আইয়ুব আলাইহিস সালাম চাদর খানা পরিধান করলেন। ততপর জিবরাঈল আঃ সহ তিনি এক পুলের কাছে গিয়ে বসলেন। এখন তাঁর শরীর ও চেহারায় এমন

Fair Use Disclaimer:
=================
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for “fair use” for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

“Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for -fair use- for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.”

Leave a Comment