দাজ্জাল এর আগমন সুনিশ্চিত!! কেয়ামতের বড় আলামত নিয়ে ভিডিও!

নবী সাঃ বলেন, দাজ্জাল সেখান থেকে বের হয়ে মদিনার দিকে অগ্রসর হবে।
যেহেতু মদিনায় দাজ্জালের প্রবেশ নিষেধ, তাই সে মদিনার নিকট বর্তি একটি জায়গায় অবস্থান
করবে। তার কাছে একজন মমিন লোক গমন করবেন, তিনি হবেন ঐ জামানায় সর্বোত্তম মমিন।
দাজ্জালকে দেখে তিনি বলবেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তুমি সেই দাজ্জাল যার সম্পর্কে রাসূল মুহাম্মদ
সাঃ আমাদেরকে সাবধান করেছেন। তখন দাজ্জাল উপস্থিত মানুষকে লক্ষ্য করে বলে, আমি যদি একে হত্যা করে জীবিত করতে পারি,
তোমরা আমার ব্যাপারে কোন সন্দেহ পোষণ করবে কি? লোকেরা বলবে না। অতঃপর সে উক্ত মুমিনকে হত্যা করে জীবিত করবে।
এ পর্যায়ে যুবকটি বলবে আল্লাহর সপত তুমি যে মুত্থুক দাজ্জাল এ সম্পর্কে আমার বিশ্বাস আগের তুলনায় আরো মজবুত হলো।
দাজ্জাল তাকে দ্বিতীয়বার হত্যা করার চেষ্টা করবে, কিন্তু তাকে হত্যা করতে সক্ষম হবে না। মুসলিম গ্রন্থের বর্ণনায় এসেছে, উক্ত যুবক দাজ্জালকে দেখে
বলবে, হে লোকসকল! এটি সেই দাজ্জাল যা থেকে নবী সাঃ আমাদেরকে সাবধান করেছেন।
অতঃপর দাজ্জাল তার অনুসারীদেরকে বলবে একে ধর এবং প্রহার কর। তাকে মেরে পিঠে জখম করা হবে।
অতঃপর দাজ্জাল তাকে জিজ্ঞেস করবে এখনো কি আমার প্রতি ঈমান আনবে না? নবী সাঃ বলেন, উক্ত যুবক বলবে,
তুমি মিথ্যাবাদী দাজ্জাল। তারপর দাজ্জালের আদেশে তার মাথায় করাত লাগিয়ে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলবে।,
দাজ্জাল দু খণ্ডের মাঝে হাঁটাহাঁটি করবে, অতঃপর বলবে উঠে দাড়াও, তিনি উঠে দারাবেন। দাজ্জাল বলবে এখনও ঈমান আনবে না?
তিনি বলবেন তুমি মিথহুক দাজ্জাল হওয়ার ব্যাপারে এখন আমার বিশ্বাস আর বৃদ্ধি পেয়েছে। অতঃপর তিনি বলবেন হে লোকসকল!
আমার পরে আর কারো সাথে এরুপ করতে পারবে না। অতঃপর দাজ্জাল তাকে পাকড়াও করে আবার জবেহ করার
চেষ্টা করবে। কিন্তু তার গলার জবাই করার স্থানটি তামায় পরিণত হবে। কাজেই সে জবাই করতে বেরথ হবে।
অতঃপর তাকে তার পা ধরে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। লোকেরা মনে করবে তাকে জাহান্নামের আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
অথচ সে জান্নাতে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। মহানবী সাঃ বলেন, সেদিন এই ব্যক্তি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সত্তের সাক্ষ দান কারী।
দাজ্জাল মক্কা মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না। দাজ্জালের জন্য মক্কা মদিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। মক্কা মদিনা বেতিত
পৃথিবীর সকল স্থানে সে প্রবেশ করতে পারবে। ফাতেমা বিনতে কায়েস রাঃ থেকে বর্ণীত, হাদিসে এসেছে অতপত
দাজ্জাল বলবে আমি হলাম দাজ্জাল। যখন আমাকে বের হবার অনুমতি দেওয়া হবে, আমি বের হয়ে চল্লিশ দদিনের মধ্যে
পৃথিবীর সমস্ত দেশ ভ্রমন করব। তবে মক্কা মদিনায় আমার জন্য প্রবেশ করা নিষিদ্ধ থাকবে। যখনি আমি মক্কা বা মদিনায় প্রবেশ করতে চাইবো,
তখনই ফেরেশতা গন তলোয়ার নিয়ে আমাকে তাড়া করবে। মক্কা মদিনার প্রতিটি প্রবেশ পথে ফেরেশতারা পাহারা দিবে।
দাজ্জালের অধিকাংশ অনুসারী হবে ইহুদী। তাদের মধ্যে অধিকাংশ থাকবে, গ্রামের মূর্খ ও মহিলা। ইহুদিদের বিশ্বাস অনুযায়ী
দাজ্জাল হবে তাদের বাদসা। তার নেতৃতে তাড়া বিশ্ব পরিচালনা করবে। নবী সাঃ বলেছেন, দাজ্জালের অধিকাংশ অনুসারী হবে ইহুদী এবং মহিলা।
তিনি আরো বলেন, ইস্পাহানের ৭০ হাজার ইহুদী দাজ্জালের অনুসরণ করবে। তাদের সবার পরনে থাকবে সেলাই বিহিন চাদর।
চলুন এবার যেনে নিবো দাজ্জালের শেষ পরিনতি কি হবে, সহিহ হাদিসের বিবরণ অনুযায়ী ইসা ইবনে মারিয়াম আলাইহে আসসালাতু আসসালাম এর হাতে
দাজ্জাল নিহত হবে। বিস্তারিত বিবিরন এই যে, মক্কা মদিনা বেতিত পৃথিবীর সকল দেশে দাজ্জাল প্রবেশ করবে।
তার অনুসারির সংখ্যা হবে প্রচুর পরিমান। সমগ্র দুনিয়ায় তার ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে। সামান্য সংখক মমিন তার ফিতনা থেকে রেহাই পাবে।
ঠিক সে সময়ে দামিস্ক সহরে পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এক মসজিদের সাদা মিনারার উপর ইসা আঃ আকাশ থেকে অবতরন করবেন।
মুসলমান গন তার পাশে পাশে একত্রিত হবে তাদেরকে সাথে নিয়ে ইসা আঃ দাজ্জালের দিকে রোওনা দিবেন।
দাজ্জাল সে সময় বাইতুল মাগদিস এর দিকে অগ্রসর হবে। অতঃপর ইসা আঃ ফিলিস্থিনের লুথ শহরের গেটে দাজ্জালকে
পাকড়াও করবেন। ইসা আঃ কে দেখে দাজ্জাল পানিতে লবন গলার ন্যায় গলতে থাকবে। ইসা আঃ দাজ্জালকে লক্ষ্য করে বলবেন,
তোমাকে আমি একটি আঘাতই করবো যা থেকে তুমি কখনই রেহাই পাবে না। ইসা আঃ তাকে বরসা দিয়ে আঘাত করবেন,
অতঃপর মুসলমানেরা তাঁর নেত্রিত্তে ইহুদিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন

Fair Use Disclaimer:
=================
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for “fair use” for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

“Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for -fair use- for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.”

Leave a Comment