নারীরা চুড়ি না পড়লে স্বামীর কি অমঙ্গল হয়? আদম (আঃ) এর স্ত্রী মা হাওয়া কেন চুড়ি পরতেন

বিসমিল্লাহ্‌ হিররাহ মানির রাহিম।
আসসালা মুয়ালাইকুম অয়ারাহ মাতুল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ্‌ আসসালাতু আসসালা মুয়ালা রাসুল আল্লাহ্‌ ।
সুপ্রিয় আলোর পথের যাত্রী বিন্দ আসা করি আল্লাহর রহমত ও দয়ায় আপনারা সবাই ভালো আছেন ।
আজকে আপনাদের কে জানাবো একটি বিষয়, যা আমাদের সমাজে বহু প্রচলিত। যে মেয়েরা হাতে চুরি না পড়লে
মেয়েদের অমঙ্গল হয় বা অলংকার আদি না পড়লে স্বামীদের অমঙ্গল হয়, এ বিষয় গুলো কতটুকু যুক্তি সঙ্গত। এ বিষয় নিয়ে
আজকে আলোচনা করবো। স্ত্রীরা নাকফুল, চুড়ি, গলার হার ইত্যাদি না লাগালে স্বামীদের অমঙ্গল হয় কথাটি আমাদের সমাজে
বহু প্রচলিত। এখন কথা হচ্ছে, যে আসলেই কথাটি কতটুকু শরিয়ত সম্মত? প্রিয় দর্শক অমঙ্গল হয় এ বিষয়টি কোরআনে ও সহিহ
হাদিসে নেই। কিন্তু বহু প্রচলিত গুণীজন রা বলে থাকেন। এ বিষয়ে আমরা বলতে পারি, যেহেতু এ বিষয়টি সরাসরি কোন সাপোর্টে
আমাদের কোরআন হাদিস থেকে কোন ফতুয়া পাওয়া যায় না, সেই হিসেবে আমরা বলতে পারি নাকফুল, চুড়ি, গলার হার এগুলো
মহিলাদের সুন্দরজ বরদন করে থাকে। হযরত বিবি হাওয়া আঃ, তিনি নাকফুল পরেছেন, গলার হাড় পরেছেন, হাতের চুড়ি পরেছেন
এবং ইবরাহীম আঃ এর স্ত্রীগণ তারাও গলার হাড় পরেছেন, নাকের ফুল পরেছেন, এটি মহিলাদের সুন্দরজ বরদনের জন্য আল্লাহ্‌ পাক
জায়েজ করে দিয়েছেন। মাজহাবের যত ইমাম রয়েছেন, সকল ইমাম এতে একমত পোষণ করেছেন, যে মহিলারা শরীরের যে কোন
জায়গায় তারা অলংকার পড়তে পারবে। বিশেষ করে তারা স্বর্ণ টা একটু বেশি পড়তে পারবে। কারন, পুরুষদের শরীরে এমন কিছু উপাদান
রয়েছে যা মহিলাদের শরীরে নাই। আর স্বর্ণ অলংকার গুলি মহিলাদের শরীরের সেই ঘারতি গুলো পূরণ করে। যার কারনে মহিলাদের জন্য
স্বর্ণ অলংকার ব্যাবহার করা আল্লাহ্‌ তায়ালা জায়েজ করেছেন। প্রিয় দর্শক স্বামী যদি তা অপছন্দ করেন, যে না এগুলো পরার দরকার নেই।
সে ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু নাক ফুল আপনি আপনার ইচ্ছায় পরছেন না, আপনার স্বামী অপছন্দ করছেন, স্বামী বার বার বলছেন যে
তুমি নাক ফুল পর কিন্তু আপনি নাকফুল বা হাতের চুড়ি পরছেন না সেক্ষেত্রে এটা আপনার জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। সে ক্ষেত্রে স্বামী
এই বিষয় নিয়ে মন খারাপ করবে, মন খারাপ এর কারনে সেটা হৃদয়ের ভিতর গিয়ে এক প্রকার ভাব আবেগ এর সৃষ্টি হবে। যার কারনে মুরুব্বী গন
বলে থাকেন, এর ফলে স্বামীর হায়াত কমে যায়। স্ত্রীর কাছ থেকে কোন দুঃখ কষ্ট পেলে সবচেয়ে বেশি আঘাত পান স্বামীরা। তাই প্রত্যেক স্ত্রীদের
উচিৎ স্বামীদের মন জয় করে রাখা। যদি কেউ বলে যে না আমি ব্যাবহার করবো না, এবং স্বামী ও চায় আমি পড়বো না এক্ষেত্রে উক্ত স্বর্ণ অলংকার
না ব্যাবহার করলেও সমস্যা নেই। প্রিয় দর্শক কোরআন হাদিস থেকে এই বিষয়ে কোন আলোচনা পাওয়া যায়না, যে নাক ফুল পরতেই হবে।
তবে মহিলাদের সুন্দরজ বরদনের জন্য এটা পরা উচিৎ। মহিলাদের সাজ গোঁজের মধ্যে তারা কিছু সাজ গজ করতে পারবে না। যেমন পায়ে
নুপুর পড়া। কেননা, রাসুল সাঃ এরশাদ করেছেন পায়ের নূপুরে শয়তান থাকে, প্রতিটি ঘণ্টার ধনির সাথে শয়তান থাকে। তাই যেসকল নূপুরে
ঘণ্টা থাকে, ঐ সকল নুপুর পড়া জায়েজ নয়। কারন এতে শয়তান থাকে, এবং ফেরেশতারা নুপুরের ধ্বনিতে পালিয়ে যায়। সে জন্য আমাদের উচিৎ হবে
নুপুর না পড়া।

Fair Use Disclaimer:
=================
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for “fair use” for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

“Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for -fair use- for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.”

Leave a Comment