রাসুল সাঃ এর কিছু অবাক করা অলৌকিক মোজেজা। যা মানব হৃদয়ে কম্পন সৃষ্টি করবে! হয়ত আপনি কখনো শোনেননি!

এ পৃথিবীতে যেই মহামানবকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে, যাকে নিয়ে লেখা হয়েছে লাখ লাখ কিতাব, তিনি হলেন বিশ^নবী মানবতার কান্ডারী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তার ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন এবং সামগ্রিক জীবন নিয়ে লেখা হয়েছে অসংখ্য পৃষ্ঠা। সীরাতে ইবনে হিশাম, মানবতার বন্ধু হযরত মুহাম্মদ (সা.), সীরাতে সরওয়ারে আলম, আর রাহীকুল মাখতুমসহ অসংখ্য কিতাব লেখা হয়েছে রাসুল (সা.) এর জীবনকে নিয়ে। মহান আল্লাহর ঘোষণা, ‘হে নবী! আপনাকে আমি সমগ্র বিশে^র জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি। (সূরা আম্বিয়া) মহান আল্লাহ যাকে সমগ্র বিশে^র জন্য রহমতস্বরূপ ঘোষণা করেছেন তাঁর আলোকোজ্জ¦ল জীবন আমাদের সকলের জন্য অনুকরণীয় এবং অনুসরণীয়। বিশে^র বিস্ময়কর ব্যক্তিত্ব, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ^ মানবতার মুক্তির দূত হিসেবে পৃথিবীতে এসেছিলেন। তাঁর প্রশংসায় মুসলিম মনীষীগণসহ অমুসলিম দার্শনিকরা বলেছেন যে, মুহাম্মদ (সা.) এমন একজন ব্যক্তি, যার আবির্ভাব না হলে বিশ^জগৎ পরিপূর্ণ হত না। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হচ্ছেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। বিশ^নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর অলৌকিক ঘটনার মধ্যে মি’রাজ হল সর্বশ্রেষ্ঠ অলৌকিক ঘটনা বা মো’জেযা। এ ধরনের ঘটনা পৃথিবীর কোনো মানুষের দ্বারা সম্ভব হয় না। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একমাত্র প্রিয় বন্ধু হওয়ায় তাঁর দ্বারা মি’রাজের মতো একটি অলৌকিক কর্মকান্ড সম্ভব হয়েছিল। তবে এ ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ঘোষণা, ‘এরা আল্লাহর নামে কঠিন শপথ করে বলে, যদি তাদের কাছে কোনো নিদর্শন আসে, তাহলে তারা আল্লাহর ওপর ঈমান আনবে; তুমি বলো, নিদর্শন (পাঠানো) সম্পূর্ণ আল্লাহ তায়ালার ব্যাপার, তুমি কি জানো (এদের অবস্থা) নিদর্শন এলেও এরা কিন্তু কখনো ঈমান আনবে না।’ (সূরা আনআম-১০৯)। রাসূল (সা.) মানুষের পরিবেশ পরিস্থিতি উপলব্ধি করে তাদের কাছে মহান আল্লাহর বাণী তুলে ধরতেন। বিশ^নবী তাঁর সমাজের নিয়ম-রীতি, অসঙ্গতি এবং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান রাখতেন। অনেকেই ইসলাম ধর্মের প্রতি তাঁর দাওয়াতে প্রথম দিকেই সাড়া দিয়েছিলেন, আবার অনেকে জীবনের শেষ পর্যন্ত ইসলাম ধর্ম থেকে দূরে অবস্থান করেছে এবং রাসূল (সা.) এর সাথে শত্রুতার সম্পর্ক রেখেছে

Fair Use Disclaimer:
=================
This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” as described in The Copyright Act 2000 Law No. 28 of the year 2000 of Bangladesh under Chapter 6, Section 36 and Chapter 13 Section 72. According to that law allowance is made for “fair use” for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

“Copyright Disclaimer Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for -fair use- for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.”

Leave a Comment